‍‍`৫৪ বছরে চেঞ্জ হয়নি, হুটহাট কিছু করলে খারাপই হবে‍‍` — শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
‍‍`৫৪ বছরে চেঞ্জ হয়নি, হুটহাট কিছু করলে খারাপই হবে‍‍` — শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

শিক্ষকদের বেতন কাঠামোসহ শিক্ষা খাতের বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কারের ক্ষেত্রে হঠকারী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদপুর রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ সংলগ্ন আওরঙ্গজেব রোডের 'নানক চত্বর'-এর নাম পরিবর্তন করে গণঅভ্যুত্থানের শহীদ 'ফারহান ফাইয়াজ সরণি' নামকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "৫৪ বছরে চেঞ্জ হয়নি। একরাতে হুটহাট কিছু করলে খারাপই হবে। তাই সবার সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।" দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই দিন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সামনে কোনো সিদ্ধান্তই পরামর্শ ও কনসালটেশন ছাড়া নেওয়া হবে না।

চলতি বছরের শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় ভর্তি ফি ফেরত দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী জানান, যেকোনো রেট্রোঅ্যাকটিভ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যাপক মতামত ও পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এক টেবিলে বসিয়ে আলোচনার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। যে সিদ্ধান্তটি বাতিল করা হয়েছে, তা আগামী অর্থবছর থেকে কার্যকর করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেডের পার্থক্য নিরসনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এ বিষয়ে ববি হাজ্জাজ জানান, শিক্ষকদের সঙ্গে ইতিমধ্যে মন্ত্রী ও তার নিজের বৈঠক হয়েছে। সেখানে শিক্ষকরা তাদের উদ্বেগ ও দাবি তুলে ধরেছেন এবং আগামী সপ্তাহে আরও বড় পরিসরে আলোচনার জন্য তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষকদের কাজ অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের কাজ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা—দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপর, তাই তাদের অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া আবশ্যক।

 

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ৮৮,৩৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন ববি হাজ্জাজ। প্রথমবার সরাসরি নির্বাচনে জয়ের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগের দুটি নির্বাচনে অংশ নিয়েও জনগণের ভালোবাসা পেয়েছেন, কিন্তু কৃত্রিমভাবে তাকে পরাজিত দেখানো হয়েছিল। এবার সেই আস্থার প্রতিদান দিতে পেরে তিনি আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন বলে জনগণ, বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

 

Link copied!